close
বীরশ্রেষ্ঠ

নোটিশ বোর্ড

সেবা সমূহ

সব দেখুন

গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১ গনহত্যা,১৯৭১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন

মাননীয় মন্ত্রী

minister

আহমেদ আযম খান

মাননীয় মন্ত্রী

আহমেদ আযম খান, এমপি একজন দক্ষ আইনজীবী ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, যিনি বাংলাদেশের আইনাঙ্গন ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বগুণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা তাঁকে একটি শক্তিশালী ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি ১৪ জানুয়ারি ১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার বাসাইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মরহুম হাবিবুর রহমান খান ও মরহুমা বেগম সাজেদা খাতুন দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান।

পেশাগত পরিচয়

আহমেদ আযম খান, এমপি বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রথিতযশা সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা

২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর), সংসদীয় আসন নং ১৩৭ থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নেতৃত্ব, নীতি নির্ধারণ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নেতা এবং বর্তমানে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয়তাবাদী ট্যাক্স ল’য়ার্স ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

১৯৬৭ সালে রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি । ছাত্রজীবনে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছিলেন । ১৯৭১ সালে তিনি আঞ্চলিক সংগঠক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন । মুক্তিযুদ্ধের শেষ তিন মাস সামাদ কামার প্লাটুনে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তিনি বাসাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি ও ৩ বার আহ্বায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

তিনি একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সালে বি.এস.এস (অনার্স), ১৯৭৯ সালে এম.এস.এস এবং ১৯৮২ সালে এল.এল.বি ডিগ্রি অর্জন করেন।

পারিবারিক জীবন

আহমেদ আযম খানের স্ত্রী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি এল.এল.বি (অনার্স) ও এল.এল.এম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিআরডিবিতে রিসার্চ অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তিনি পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হন এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হন; একপর্যায়ে তাঁকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। তিনি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার সাথেও কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘আযম খান এন্ড এসোসিয়েটস ও খান এন্ড সিদ্দিক’স এর ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। তাঁদের মধ্যে ড. আনান হাবিবা সিদ্দিকা ও - লেভেল এবং এ -লেভেল পাশ করার পর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনিস্টার, লাঊস, ইউকে থেকে ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি বিষয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। তিনি সিনেমা ও নাটকে অভিনয়, স্ক্রিপ্ট রচনা এবং ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। তিনি ‘বাড়ির নাম শাহানা’ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন; চলচ্চিত্রটি অস্কার মনোনয়নের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ব্যারিস্টার অদ্রি আফিফা সিদ্দিকা ও-লেভেল ও এ-লেভেল সম্পন্ন করার পর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট মিনিস্টার থেকে অনার্স, ইউনিভার্সিটি অব কুইন মেরি থেকে মাস্টার্স এবং ইউনিভার্সিটি অব গ্রেজ ইন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় কর্মরত আছেন।

বিস্তারিত

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

minister

ইশরাক হোসেন

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

বিস্তারিত

সচিব

minister

মো: আশরাফুল ইসলাম

সচিব

জনাব মোঃ আশরাফুল ইসলাম ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে সচিব হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। এ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের অব্যবহিত পূর্বে তিনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জনাব মোঃ আশরাফুল ইসলাম ১৯৬৯ সালের ২৪ জুন নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার ভোলারপালশা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম এসহাক আলী মন্ডল এবং মাতা মরহুমা আলেয়া বেগম। তাঁর শৈশব-কৈশোর অতিবাহিত হয় নওগাঁয়। ছাত্র জীবনে মেধাবী এই কর্মকর্তা রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড হতে ১৯৮৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগসহ মেধা-তালিকায় ৮ম এবং একই শিক্ষা বোর্ড হতে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগসহ মেধা-তালিকায় ৯ম স্থান অর্জন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে লোকপ্রশাসন বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৫ ব্যাচের এই কর্মকর্তা ১৯৯৫ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। মাঠ পর্যায়ে তিনি সহকারী কমিশনার হিসেবে কুষ্টিয়া কালেক্টরেটে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে পঞ্চগড় জেলায় এবং ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা ও গাইবান্দা কালেক্টরেটে প্রায় দীর্ঘ আট বছর দায়িত্ব পালন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে বগুড়া জেলার নন্দিগ্রাম, চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর ও দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ঝিনাইদহ, অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (রাজস্ব) হিসেবে কুষ্টিয়া এবং উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার ও অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক হিসেবে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরে উপপরিচালক ও পরিচালক হিসেবে ০৬ বছরের অধিক দায়িত্ব পালন করেন।

জনাব ইসলাম সৌদি আরবে হজ-টিমে সরকারি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর ও ভারতে নির্ধারিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন এবং থাইল্যান্ড ও চীনে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সভা-সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। তিনি চাকরি জীবনের মৌলিক প্রশিক্ষণসমূহ এবং আচরণ ও শৃঙ্খলা, দারিদ্র্য দূরীকরণ, Juvenile Justice, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পলিসি ফরমুলেশন ও ই-গভর্নেন্স এন্ড আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। দীর্ঘ প্রশাসনিক কর্মজীবনে তাঁর মাঠ প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, ভূমি প্রশাসন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের পিতা।

বিস্তারিত

ওয়েব মেইল

অভ্যন্তরীণ ই-সেবাসমূহ

সভার ক্যালেন্ডার

Su Mo Tu We Th Fr Sa
1 2 3
4 5 6 7 8 9 10
11 12 13 14 15 16 17
18 19 20 21 22 23 24
25 26 27 28 29 30 31

ম্যাপ

বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম

সরকারি কর্মচারী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (GEMS)

জাতীয় সঙ্গীত