close

সেবা সমূহ

সব দেখুন

ম্যাপ

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন

মাননীয় মন্ত্রী

minister

জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি
মাননীয় মন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
ফোন: +৮৮০-২-২২৩৩৫৪৮৮৮
ইমেইল: minister@minland.gov.bd

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনুর জীবনবৃত্তান্ত


মোঃ মিজানুর রহমান মিনু ১৯৫৮ সালের ৭ জানুয়ারি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-০২ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য। তিনি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তিনবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র এবং সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নগর উন্নয়ন, জনসেবা এবং জাতীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সক্রিয় ভূমিকার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।


রাজশাহী শহরের শালবাগান এলাকায় তাঁর পৈতৃক নিবাস এবং বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন। তার পিতা মরহুম মোঃ ফজলার রহমান ব্রিটিশ সরকারের কর্মকর্তা এবং মাতা মরহুমা লতিফা খাতুন একজন হাফেজা ও গৃহিণী ছিলেন। তার সহধর্মিণী সালমা শাহাদাত রাজশাহীর মাদার বক্স হোম ইকনমিকস কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জনক।


শিক্ষাজীবনে তিনি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি, রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ,সাংগঠনিক সম্পাদক এবং যুগ্ম মহাসচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।


তিনি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এবং তৎকালীন দেশের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৪ ও ২০০১ সালে দুইবার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব মেয়র সম্মেলনে শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেন।২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি রাজশাহী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।


রাজশাহীর উন্নয়নের মহারুপকার ২০০৬ সালে তার মেয়াদকালে রাজশাহীকে লন্ডন স্কুল অব ইকনমিকস (LSE)-এর গবেষণায় বাংলাদেশের সবচেয়ে সুখি শহর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। একই বছরে কানসাট পল্লী বিদ্যুৎ আন্দোলন এবং ফুলবাড়ী-বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি আন্দোলনসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সংকট নিরসনে তিনি আলোচনার মাধ্যমে সফল সমাধানে ভূমিকা রাখেন।


উত্তারাঞ্চাল থেকে দক্ষিণাঞ্চল রোড মার্চ,রেল মার্চ এবং ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রাম অভিমুখে চলাকালে কাঁচপুর ব্রিজ অবরোধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে উত্তরাঞ্চল ও জাতীয় রাজনীতিতে মিজানুর রহমান মিনু উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।


২০২১ সালে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন পরিক্রমায় গণতান্ত্রিক বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখায় তিনি বহুবার কারা অন্তরীণ হন এবং নির্যাতনের শিকার হন।


সবুজ,পরিচ্ছন্ন,শান্তিপূর্ণ শিক্ষা মহানগরী এবং রাজশাহীর উন্নয়নের মহারুপকার সকলের মিনু ভাই একজন সজ্জন ,বিনয়ী,সদালাপী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সমাদৃত।

বিস্তারিত

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

minister

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-বায়োগ্রাফি (বাংলা)


মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন একজন বিশিষ্ট আইনজীবী, রাজনৈতিক নেতা এবং জননেতা, যাঁর কর্মজীবন গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং জনসেবার প্রতি এক অবিচল অঙ্গীকারের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন প্রজন্মের অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে বিবেচিত মীর হেলাল তাঁর নীতিগত নেতৃত্ব, আইনি প্রজ্ঞা এবং জনগণের কল্যাণে অবিরাম উৎসর্গের জন্য সর্বমহলে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।


মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ১৯৮২ সালের ১২ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী পৌরসভার মীরের খীল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে (মীর বাড়ি) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা অ্যাডভোকেট মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন ছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, তাঁর পিতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন সাবেক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন-এর মাতা প্রয়াত ডালিয়া নাজনীন নাছির, যাঁর উদারতা এবং অন্যের কল্যাণে নিঃস্বার্থ উদ্বেগ শৈশব থেকেই মীর হেলাল-এর চরিত্র গঠনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। পিতার নীতিগত রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং মাতার মানবিক মূল্যবোধের যৌথ প্রভাব তাঁর কর্মজীবনের ভিত্তি তৈরি করতে সাহায্য করেছে, যার মাধ্যমে আইন, রাজনীতি ও জনসেবায় যাঁর পরিবারের অবদান এক চিরস্থায়ী উত্তরাধিকার সৃষ্টি করেছে- যা আজ দেশ ও জনগণের সেবায় সমর্পিত।


মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন থেকে ২০০২ সালে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০৩ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের কলেজ অব ল অব ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস (ইউনিভার্সিটি অব ল) থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ২০০৪ সালে যুক্তরাজ্যের অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন’ থেকে তিনি ব্যারিস্টার অ্যাট ল ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র ও তালিকাভুক্ত আইনজীবী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অভ্যন্তরে একজন অগ্রগামী সাংগঠনিক নেতা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দলের বার্তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে তিনি একজন নির্ভরযোগ্য কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপি চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির বিশেষ সহকারী এবং দলের মিডিয়া সেলের একজন সদস্য হিসেবে তিনি সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।


২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও আংশিক বায়েজিদ) আসন থেকে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বিএনপির 'ধানের শীষ' প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন এবং দীর্ঘ ১৮ বছর পর আসনটি দলটিকে পুনরুদ্ধার করে দেন। তিনি ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথমে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে, মার্চ ২০২৬-এ ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয় এবং বর্তমানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় একসাথে পরিচালনা করছেন।


প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৃগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিকাঠামো বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ-বান্ধব পর্যটন (ইকো-ট্যুরিজম) উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে একটি উচ্চাভিলাষী রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন। পাশাপাশি তিনি ভূমি প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।


ব্যারিস্টার মীর হেলাল দেশের অন্যতম শীর্ষ সামাজিক-গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (ZRF)-এর পরিচালক এবং এর লিগ্যাল রিসার্চ সেলের কনভেনর (আহ্বায়ক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘সেন্টার ফর ন্যাশনালিজম স্টাডিজ’-এর সাথেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন।


ব্যারিস্টার মীর হেলাল ‘ডালিয়া-নুসরাত মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক ও দাতব্য কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশন এবং চট্টগ্রাম বার অ্যাসোসিয়েশনের একজন সম্মানিত সদস্য। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও তিন পুত্র সন্তানের জনক।

বার্তা প্রেরক: মো. রেজুয়ান খান, জনসংযোগ কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিস্তারিত

সিনিয়র সচিব

minister

এ এস এম সালেহ আহমেদ (সংযুক্তি)

বিস্তারিত

মতামত/ পরামর্শ

আপনার মতামত/ পরামর্শ দিন

মোবাইল অ্যাপ

BERJAYA
ই-
খতিয়ান
BERJAYA
BERJAYA
নামজারি
BERJAYABERJAYA
BERJAYA
স্মার্ট
ভূমি
নকশা
BERJAYABERJAYA
BERJAYA
স্মার্ট
ভূমি
পিডিয়া
BERJAYABERJAYA
BERJAYA

BERJAYA

উত্তরাধিকার

ক্যালকুলেটর

Download mobile apps to get land services

মন্ত্রণালয়ের ইভেন্টসমূহ

নাগরিক সেবা

BERJAYA

ভূমিসেবায় সরকারি ফি

BERJAYA

বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম

সরকারি কর্মচারী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (GEMS)

জাতীয় সঙ্গীত